এখানে সবরকমের বাংলা quotes লেখা হয়! নারীদের ভাঙাগড়ার গল্প!প্রতিটা নারীর মনের কথা!কিছু অনুপ্রেরণার গল্প কিছু সত্যি ঘটনা ফুটিয়ে তোলার প্রচেষ্টা। আসুন সকলে মিলে যারা জীবনে আশার আলো হারিয়ে ফেলেছে, নিরাশ হয়ে গেছে তাঁদের মনে আশা জাগায়।
Wikipedia
সার্চ ফলাফল
বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২১
selfish husband
যে স্বামী নিজের স্ত্রী সন্তানকে কষ্ট দিয়ে নিজের সুখের কথা ভাবে সেই স্বামীর সাথ না দেওয়াই ভালো। কারণ স্বার্থপর মানুষ কখনো sacrifice এর অর্থ বোঝে না।
বুধবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২১
হারতে নয় হারাতে শেখো
অনেক সময় আমরা এমন কিছু মানুষের পাল্লায় পরে যায় যার কারণে আমাদের জীবনটা তছনছ হয়ে যায় মনে হয় সব শেষের মুখে । কিন্তু একজন মানুষ যতই powerful হোক মনে রাখবে তার মধ্যেও কিছু এমন weak পয়েন্ট আছে যেটা দিয়ে তাকে হারানো যায়। ভয় না পেয়ে ভয়ের মুখোমুখি হতে শেখো। যত সমস্যা থেকে পালাতে চাইবে ততো সমস্যা গুলো আরও বাড়তে যাবে তাই উপায় খোঁজো সমস্যা গুলোকে হ্যান্ডেল করবে কিভাবে।
সোমবার, ১২ এপ্রিল, ২০২১
Every women's dream|bangla Romatic story
আমার একটা সাধ ছিল একটা ছোট্ট সুখের সংসার গড়ার। সেই সংসারে একটা মনের মানুষ থাকবে তার আদর ভালোবাসায় ভরে থাকবে আমার শরীর, মন। আমাদের সন্তানের খিলখিল করা হাসি সারাঘরে মেতে থাকবে। টেবিলে থাকবে সোনামনির রেডি রাখা টিফিন বক্স,পড়ার টেবিলে থাকবে সোনার ব্যাগ, জুতোর রেকে সাজানো থাকবে আমাদের জুতো জোড়া সাথে থাকবে সোনার জুতো। আমাদের ভালোবাসার প্রমান থাকবে এলোমেলো বিছানা, সিঁথির সিঁদুর মাখা তোমার শার্ট, কানের একটা দুল এক কোনায় পরে থাকবে,পিঠে, গলায় love bite এর চিহ্ন। সকাল বেলায় দুই কাপ চা সাথে মুখে থাকবে প্রাণবন্ত হাসি... কানে আসুক হালকা গানের সুর। বারান্দার তারে ঝুলবে তোমার আমার অন্তর্বাস, জুতোর ফিতে, পা-জামা, সোনার জামা প্যান্ট, আর আমার শাড়ি।সংসারের ছোট ছোট জিনিস নিজের হাতে সাজাবো ছোট্ট একটা শীল-নোড়া, উঠানের মাঝখানে তুলসী মন্দির থাকবে সকাল সন্ধ্যে জল দেবো, ধূপবাতির সুগন্ধে সারাবাড়ি মন্দিরের মতো অনুভব হবে, শান্তি লাগবে।মনে হবে এমনি তো চেয়েছিলাম একটা ছোট্ট সুখের ঘর, সংসার।
সবার এমন সুখের ঘর কপালে লেখা থাকে না, কিছুজনের এমন সংসার স্বপ্নে, কল্পনায় জায়গা পায়।
রবিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২১
নিজের জন্য ন্যায়বিচার
সমাজের বেশকিছু ব্যাতিক্রম মস্তিষ্কের
মানুষ এখনো অন্যায় কে মেনে নেওয়ার পরামর্শ দেয়, সহ্য করার পরামর্শ দেয়.... অনেক মানুষের মুখে এমন কথা শোনার পর বুঝলাম তাঁদের এমন কথা বলার কারণটা সবকিছুর মুলে একটাই কারণ টাকা... তাঁদের মতামত যদি কোনো মেয়ে চাকরি করে তাহলে সে কেন সহ্য করবে কেন মেনে নেবে তাঁদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য জোরজাবস্তি থাকার থেকে একলা থাকা ভালো। আর হাউস ওয়াইফ দের জন্য??না তাঁদের জন্য এমন কোনো অপশন নেই কারণ তারা রোজগার করে না নিজের দায়িত্ব, সন্তানের দায়িত্ব নিতে পারবে না তাই তাঁদের স্বাধীন ভাবে বাঁচার শান্তিতে বাঁচার কোনো অধিকার নেই। সংসার করতে গেলে কি মেনে নিতে হয় আর কি মানিয়ে নিতে হয় তা সবার জানাটা দরকার।
যেমন বিয়ের আগে মা বাবার আদরে আবদারে থেকেছো,মাছের কোন পিসটা চাই তা নির্ধিধাই বলেছো, কোনটা পছন্দ খাবারের প্লেটে কোনটা নয় তাও অনায়াসে বলেছো, কেউ কথা শুনিয়ে দিলে রাগ করেছো খাবো না যাও বলেও অভিমান করেছো, পুজোয় ওই ড্রেসটাই চায় বলে বায়নাও ধরেছো, কোথাও যেতে ইচ্ছে নেই সেটাও সজোরে বলেছো, সকাল বেলা খুব দেরি করে উঠলেও খুব বকা খাওনি, সারাদিন ফোন দেখার স্বাধীনতা পেয়েছো, যখন খুশি বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছো, কারো জন্মদিন, বিয়েবাড়ি, পার্টি যাবে বলে একবার নামসাক্ষি বলেই ছুটি পেয়েছো। এসব স্বাধীনতা গুলো যদি শশুরবাড়িতেও চাও তাহলে আমি বলবো এই জায়গাগুলোতে মানিয়ে নাও। কিন্তু যদি অন্যায় হচ্ছে যেটা তোমাকে ঠিক লাগছে না মানসিক অশান্তি দিচ্ছে নিত্যদিন, মানসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছো, মন এবং স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছে,তোমার প্রতি স্বামীর বিন্দুমাত্রও আগ্রহ নেই, খাচ্ছো কি না, ঠিকমতো ঘুমাচ্ছ কি না, শরীর কেমন থাকছে, শারীরিক এবং মানসিক সম্পর্কগুলোও বন্ধের মুখে, কথায় কথায় ঝগড়া বাড়িতে টেকা যাচ্ছে না, কথা বলতে গেলেই ঝগড়া, একসাথে হাঁটতে হাঁটতে ঝগড়া, খেতে খেতে ঝগড়া, কিছু মজার কথা বলতে গিয়েও ঝগড়া.... এমন হওয়ার কারণ কি জানো understanding নেই দুজনের মধ্যে ❌️ trust নেই দুজনের মধ্যে❌️ভালোবাসা নেই, বাঁধন নেই, টান নেই....এগুলো অন্যায় হচ্ছে তোমার সাথে নীরবে তুমি ভাবছো সব ধীরে ধীরে একদিন ঠিক হয়ে যাবে, ভুল বোঝানো হচ্ছে তোমাকে কিচ্ছু ঠিক হবে না তুমি মূল্যহীন হয়ে যাবে ধীরে ধীরে। তোমার অন্যায়টা তোমার সেটা কেউ বুঝবে না বুঝতে চাইবে না কারণ অন্যায়ের সাজাটা তুমি পাচ্ছ তারা নয়। ব্যাস অনেক হয়েছে আর নয় এসব অন্যায় মেনে নেবে না মানিয়ে নেবে না।
শনিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২১
bangla shayari about love
আগুনে ছেঁকা খেলে চামড়া পোড়ে
প্রেমে ছেঁকা খেলে হৃদয় পোড়ে
যেচে উপকার করলে ভুল বোঝে
যেচে ক্ষমা চাইলে বোকা বুঝে
সম্পর্কে ঝুঁকলে দুর্বল ভাবে
হতাশায় ভুগলে loser ভাবে
গুরুত্ব বেশি দিলে অবহেলা করে
গুরুত্ব কম দিলে অভিযোগ করে
জীবন দিয়ে ভালোবাসলে সস্তা মনে করে
নিজের গুরুত্ব বুঝিয়ে দিলে ego মনে করে
শুক্রবার, ৯ এপ্রিল, ২০২১
নতুন জন্ম
আজ তিনদিন হয়ে গেল আমি মারা গিয়েছি, হুস.......কেউ সে কথা জানে না জানবেই বা কি করে খোঁজ রাখে নাকি কেউ কারো। কিন্তু তবুও আমি আমার শরীরটাকে জোর করে বাঁচিয়ে রেখেছি কেন জানো? আমার আড়াইবছরের মেয়েটার জন্য... ওকে একা রেখে যায় কি করে। কত আবদার, আদর, বায়না ওর আমি না উঠলে কে দেখবে তাই জোর করে চোখ মেলে তাকাচ্ছি, জোর করে খাবার খাচ্ছি নয়তো শরীরটাকেও বাঁচাতে পারবো না। এই বয়সেই আমার মা আমাকে ছেড়ে চিরদিনের মতো জগৎ ছেড়েছিলো ভাবেনি এত কিছু আমার মতো করে।কিন্তু আমি মেয়ের জন্য আবার নতুন করে জন্ম নেবো নতুন রাস্তা খুঁজবো কিভাবে ভালো ভাবে বেঁচে থাকা যায়।
শনিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২১
never give up bangla quotes
রোজ সকালে আয়নার সামনে বলো
You Are Great
তুমি ফ্যালনা নও
তুমি সস্তা নও
তুমি তুচ্ছ নও
তোমার মধ্যেও আছে কিছু বিশেষ গুন
যেটাকে তুমি ঠিক ভাবে যত্ন করছো না
যেমনটা সবাই তোমার মধ্যে বিশেষ গুন আছে মানে না তেমনি তুমিও তোমার গুনটা তাঁদের মতো করে অবহেলা করছো।
ঈশ্বর আমাদের এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছে মানুষরূপে কিছু না কিছু উদ্দেশ্যে। তুমি তোমার উদ্দেশ্য কে খোঁজো। তুমি তোমার ওই বিশেষ গুনকে খোঁজো, বের করো আর পুরো দুনিয়াকে দেখাও তুমি looser নও তুমিও অসাধারণ,অমূল্য।
হতে পারে অনেকে সময়ে সেটেল হয়েছে তুমি একটু না হয় দেরিতে হবে। চেষ্টা তো করো, কেউ তোমায় motivate করবে না তোমাকেই বুকে বল এনে এগিয়ে যেতে হবে।
বাঁধা আসবে, হতাশা আসবে, কান্না আসবে, একা হয়ে পড়বে তবু থামলে চলবে না.... এত বাঁধা পেরিয়ে যদি এগিয়ে যেতে পারো সাফল্য তোমার মাথায় মুকুট পড়াবেই।তাই never give up
মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ, ২০২১
মাঙ্গলিক দোষ##
রিমা ছোট থেকেই একটু চুপচাপ, চাপা স্বভাবের। যখন দুই বছর বয়স তখন রিমা মাকে হারায় রিমার সাথে তার পাঁচ বছরের দাদাও হারায় মাকে।ঠাকুমা, পিসি, কাকিমারা মিলে বড়ো করেছে তাঁদের। রিমা গোপনে কাঁদতো মাকে মনে পড়লে। কিছু তো করার নেই মা তো আর আসবে না তাও মন মানত না।কিছু বছর গেল.......
এখন রিমা 16-17বছর বয়স। বাড়ির লোক পাত্র দেখা শুরু করলো, রিমা উচ্চমাধ্যমিক দিয়ে কলেজে পা দিলো, পা দিতেই বিয়ে ঠিক হয়ে গেল
রিমা অতটাও তখন বুদ্ধিমতী মেয়ে ছিল না, নিজের ভালো খারাপটা বুঝতে শেখেনি তাই ভবিষ্যত নিয়ে কিছু ভাবেনি, বাড়ির মতে বিয়ে করলো... বিয়ের আগে রিমাকে শশুড়বাড়ির লোকেরা বলেছিলো পড়াশোনাটা চালিয়ে যেতে পারে। কিন্তু বিয়ের পর দেখে তাঁদের কথাবার্তা সম্পূর্ণ ভিন্ন, তারা বললো বাড়ির বৌ এভাবে বাইরে রোজ কলেজ যাওয়াটা ঠিক মানাবে না। তার স্বামীও প্রতিবাদ করলো না।শাশুড়ি মার আচরণ দিন দিন দম বন্ধের মতো রিমাকে মানসিক অশান্তি দিতে লাগলো, সাপোর্ট বলতে কাউকে পাশে পেলো না, ফামিলি ছিল জয়েন্ট। তাই মায়ের দাদার আগে স্বামী কিছু বলতে পারবে না। একদিন রিমাকে তার বড়ো জা কথায় কথায় বললো তোমার বর রোজ রবিবার যাদের বাড়ি যায় ওই বাড়ির মেয়ের সাথে অনেক বছরের সম্পর্ক ছিল, কিন্তু বিয়েতে আমরা রাজি না হওয়ায় অনেক ঝামেলা হয়, তারপর তোমার সাথে বিয়ে হয়, এই শুনে রিমার মনে ভীষণ ঝড় শুরু হয়,মনে প্রশ্ন আসে তবে কি ওই মেয়ের সাথেই ফোনে গল্প করে আমার আড়ালে। আমি ফোন ধরলে ওই মেয়েটা ঐজন্য মুখের উপর ফোন কেটে দেয়। তবে কি সম্পর্কটা আমার আড়ালে এখনো এগিয়ে যাচ্ছে.....
এরপর রিমা স্বামী এই নিয়ে কথা উঠায়, কিন্তু সে ভীষণ রাগারাগি করে মানতে অস্বীকার, উল্টে রিমাকেই বলে তোমার মনে পাপ আছে। তারপর রিমা কিছুদিন পর বাবার বাড়ি আসে, কিন্তু সেই সেই সমস্যাটার জল ধীরে ধীরে ভয়ানক আকারণ নেয়।রিমার বাড়ির লোকজন এসব কথা জানতে পারে... রিমার বাবা দেরি না করে শশুড়বাড়ির লোকজনদের ডেকে দুই পরিবার নিয়ে একটা আলোচনা করে রিমার বাড়ির লোকজনদের দাবি তুমি বিয়ের আগে যা করেছ সেসব আমরা জানতেও চাই না কিন্তু এখন তুমি আর তাঁদের বাড়ি যেও না মানে ওই মেয়েটির বাড়ি। তখন রিমার বর বলে উঠলো না সেটা সম্ভব নয় তারা আমার অনেক উপকার করেছে বিপদের সময় তাই তাঁদের সাথে সম্পর্ক ভাঙতে পারবো না। এবার রিমার স্পষ্ট বুঝতে পারলো তাঁদের সম্পর্কে তৃতীয় কেউ ঢুকে পড়েছে আর এই সম্পর্ক জোড়া লাগবে না হয়তো।আলোচনার শেষে তারা বাড়ি ফিরে গেল। বেশ কিছু মাস গেল..... রিমা ভেবেছিলো নিশ্চয় বর তাকে একবার ফোন করবে বা নিতে আসবে আর বলবে চলো বাড়ি ফিরে চলো কিন্তু রিমার স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে গেল তাকে না ফোন না নিতে এসেছিলো....... আজ অনেক গুলো বছর কেটে গেছে রিমার সেসব কথা আজ গল্পের মতো লাগে।তারপর রিমার জীবনে আগে কি হলো জানতে হলে পার্ট ২ জন্য অপেক্ষা করুন।
কিছু মানুষ হাজার চাইলেও আপন হয় না
কিছু আপন হাজার চাইলেও পর হয় না
কিছু কষ্ট হাজার চাইলেও শেষ হয় না.....
মঙ্গলবার, ৯ মার্চ, ২০২১
মানুষ এখন মেশিন/people are machines now
এখন মানুষ আর মানুষ নেই এক একটা মেশিনে পরিণত হয়েছে। কারণ এখনকার মানুষের মধ্যে emotions, feelings, মনুষ্যত্ব, বিবেক সব হারিয়ে যাচ্ছে। পাশের মানুষটা কষ্টে আছে, বিপদে আছে কিন্তু সাথে থাকা মানুষটার সেই নিয়ে মাথা ব্যাথাও নেই।অনেক স্বামী-স্ত্রী আছে যারা বছরের পর বছর এক ছাদের তলায় কাটিয়ে দিচ্ছে না আছে মনের সাথে মনের কানেকশন না আছে শরীরের সাথে কোনো কানেক্শন। কতদিন তারা একে অপরকে বলেনি আমি তোমাকে ভালোবাসি, কতদিন তারা ফোনে 1মিনিটের বেশি কথা বলেনি, কতদিন তারা একে অপরকে আলিঙ্গন করেনি, তারা ভুলেই গেছে ছাদনাতলাই হাতের উপর হাত রেখে কত মন্ত্রপাঠ, একে অপরের চোখে ভালোবাসার আদানপ্রদান, ভালোবাসার মানুষটির হাতে পরিয়ে দেওয়া মাথা ভরা সিঁদুর। কোথায় গেল সেইদিনগুলোর স্মৃতি,কিভাবে ভুলে যায় আমরা কত ভাবনা কত স্বপ্ন দিয়ে গড়া সম্পর্কগুলোকে। কি করে এত্তটা নিষ্ঠুর হয়ে যায়। কথায় কথায় একে অপরের মনে আঘাত করার সুযোগ খুঁজি কই খুশি করার সুযোগ খুঁজি না তো? সম্পর্ক গুলোকে casually নিতে শুরু করি যেন থাকলে থাক না থাকলে চলে যাক। সম্পর্কটাকে আর কোনো যত্ন করার দরকার নেই... আচ্ছা একটা গাছের বেলায় যদি এমনটাই করি সেই গাছটার চেহেরাটা কেমন হবে একটু মন দিয়ে ভাবুন... ধরুন আপনি একটা ছোট্ট গাছের চারা কিনে আনলেন তারপর সেটাকে আর তাকিয়েও দেখলেন না ভাবলেন আমারই তো এখন গাছটা। ওকে সার, আলো, বাতাস, জল যেগুলো দরকার ছিল দিলেন না কিন্তু তবুও আপনি সেই গাছটার থেকে আশা করলেন গাছটা আমাকে ফুল দেবে, ফল দেবে কারণ গাছটা বুঝবে আমি এখন অসুবিধায় আছি তাই যত্ন করা সম্ভব হচ্ছে না, এবার বলুন আপনি যেটা ভাবলেন সেটা কি আদৌ লজিকাল কথা?? আমি জানি একটু বিবেক দিয়ে ভাবলেই আপনি বুঝতে পারবেন এটা কোনোমতেই সম্ভব না। এমনি এক্সপেকটেশন গুলো আমরা সম্পর্কের ক্ষেত্রেও apply করি, গাছের মতোই সম্পর্কেরও যত্ন প্রয়োজন অনেক প্রয়োজন। আর যত্ন করি না তাই দিনের পর দিন সম্পর্কগুলো প্রাণহীন, মৃত, বোঝাই পরিণত হয়ে যাচ্ছে।
লেবেলসমূহ:
relationship bangla quotes
রবিবার, ৭ মার্চ, ২০২১
Happy Women's Day
তোমার ভূমিকা, তোমার অবদান তুমি নিজেই জানো না তাইতো অল্পতেই ভয় পাও, ভেঙে পরো, হার মেনে যাও। কতটা শক্তি আর ধৈর্য্য নিয়ে জন্মেছ জানা থাকলে তুমি নয় যারা তোমার সাথে অন্যায় করে প্রতিনিয়ত তারা মাথা ঝুঁকিয়ে চলতো।কিন্ত সমাজের গঠনটাই এমন আছে নারী মানেই মানিয়ে নেওয়া।তবুও তুমি স্বাধীন হও ছুঁয়ে দেখাও তোমার আকাশকে ।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)