এখানে সবরকমের বাংলা quotes লেখা হয়! নারীদের ভাঙাগড়ার গল্প!প্রতিটা নারীর মনের কথা!কিছু অনুপ্রেরণার গল্প কিছু সত্যি ঘটনা ফুটিয়ে তোলার প্রচেষ্টা। আসুন সকলে মিলে যারা জীবনে আশার আলো হারিয়ে ফেলেছে, নিরাশ হয়ে গেছে তাঁদের মনে আশা জাগায়।
Wikipedia
সার্চ ফলাফল
মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১
দাম্পত্য জীবনে ফাটল
কিছু বৈবাহিক সম্পর্ক অপ্রয়োজনীয় হয়ে যায় ,মূল্যহীন হয়ে যায়। সময়ের সাথে কেন ফুরিয়ে যায় প্রয়োজন, কেন বদলে যায় সম্পর্কের ধরন?তবুও কেন সেই সম্পর্কটাকে বয়ে নিয়ে বেড়াতে হয় ওই একটাই কারণ The famous line "লোকে কি বলবে"। কেন??সম্পর্কে একটা মানুষ যদি কঠোর মনের হয়, অপর পক্ষের মানুষটিও যে কঠোর হবে সেটা কেন আমরা ধরে নি, না থাকলে হওয়ার পরামর্শ দি।যদি অপর মানুষটা নরম মনের হয় তাহলে তো কষ্টটা তাকেই পেতে হবে সারাজীবন যতদিন বেচেঁ থাকবে। সেই মানুষটার ফিলিংস, ইমোশনসের কোনো দাম নেই?? তার ভালো থাকার কোনো অধিকার নেই?সম্পর্কে দুজন মানুষের মধ্যে যদি একজন সমস্ত দায়-দায়িত্ব ভুলে যায়, যদি এমন ব্যবহার করে তাকে আর কোনো প্রয়োজন নেই তার। তার প্রতি কোনো আগ্রহই দেখায় না। কোনো আকর্ষণ নেই, বাঁধন নেই, সাথে থাকার ইচ্ছেটাই যেন মারা যায়।
বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১
parents feelings
বাবা মা ছোটবেলা থেকে আমাদের একটু একটু করে বড়ো হতে দেখে পড়াশোনা করিয়ে শিক্ষিত বানাই যাতে আমরা জীবনে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় দুইবার ভাবি, কিন্তু আমরা কি করি ষোলো থেকে আঠেরো এই বয়সটাই আমাদের বিবেকের থেকে আবেগ বেশি কাজ করে আর সেই সময়ই আমরা ভুল সিদ্ধান্ত গুলো নি। ভবিষ্যত কি হবে, যেটা করছি সেটা ইন ফিউচার আমাকে আফসোস করে চোখের জল ফেলতে হবে না তো এসব কিচ্ছু আমরা ভাবি না। বাবা মার সাজানো স্বপ্নটাকে ভেঙে দিতে দুইবারও ভাবি না। তাঁদের ভাবনা, তাঁদের খারাপলাগা নিয়ে আমাদের কোনোভাবেই ভাবাই না। তাঁদের মনে আমরা অসম্ভব আঘাত দি যেটা তখনি বুঝতে পারি যখন নিজে ভুল প্রমাণিত হয় আর জীবনটা অনিশ্চিত অন্ধকারের দিকে ঠেলে দি।
মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল, ২০২১
motivational quotes for women's
সাদা কালোই মিশে আছি,
এখন আমি একাই বাঁচি।
পাবো না ভয় এনেছি আমি বুকে বল,
থামবি না কেউ সাহস করে এগিয়ে চল।
বাড়াবে হাত অনেক বেশে মুখোশধারী,
দিবি না ধরা বুঝিয়ে দিবি আমিও বুঝতে পারি।
যতই ভাব আছি দুর্বল,অসহায় নারী।
জানিস না মূর্খ ভাবিস তুইই শুধু শক্তিধারী,
দেয়ালে ঠিকলে পিঠ, ঠিক কতটা শক্তি আনতে পারি।
কথায় আছে হাঁটুর নিচে বুদ্ধি নারীর
তাইতো জীব সৃষ্টির দায়িত্ব তারই।
সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২১
দুজনের মতামতকে গুরুত্ব দাও
না তোমার সমস্ত অর্ডার আমি মেনে চলতে পারবো না আমি কোনো কোর্টের কাঠগোড়ায় দাঁড়িয়ে নেই আর নাই তুমি কোর্টের জার্জ এর চেয়ারে। আমি তোমার স্ত্রী তুমি আমার স্বামী। মতের অমিল থাকতেই পারে সেটাই স্বাভাবিক, মনে রাখবে তুমি আমি দুটো আলাদা মানুষ। ওই ফ্লিমের ডায়লগ দিয়ে বোকা বানানো বন্ধ কর... "এক আত্মা দো শারীর"।আসল কথা কি জানো দুজনকেই দুজনের মতামতকে সম্মান করা এবং গুরুত্ব দিতে হবে। কিন্তু সমস্যা কোন জায়গায় জানো ডমিনেট, কন্ট্রোল করা মানুষটিকে নিয়ে, সম্পর্কে বিপরীত মানুষটি যদি ডমিনেটিং হয় ঐখানেই বিপদ সে শুধু নিজের মতামত চাপাবে তোমার উপর আর তোমার মতামতের কোনো গুরুত্ব দেবে না। কারণ যে ব্যাক্তি ডমিনেটিং থাকে সে নিজেকে বিপরীত মানুষটির থেকে বেশি বুদ্ধিমান মনে করে।
কিন্তু সুস্থ, সুন্দর সম্পর্ক তখনি হয় যখন একেঅপরের মতামতকে তারা সম্মান,গুরুত্ব দিতে জানে।
রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১
শুরু থেকেই ভালোবাসবে
যে ভালোবাসার মানুষ হবে সে সম্পর্কের শুরু থেকেই ভালোবাসবে, সম্পর্ক চলাকালীনও ভালোবাসবে মাঝেমধ্যে মান অভিমান হতেই পারে সেটাই সম্পর্কে স্বাভাবিক, কিন্তু সুনামির মতো বহুদিন পর ভালোবাসা জাগলে সেটা ভালোবাসা নয় সেটা অভিনয়।
শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২১
মন গলানো
আমার মন গলানো এতোই সহজ
আমার মন ভোলানো এতোই সহজ
কত অবহেলায়,কত ঝড়ের রাতে,কত তপ্ত রোদের দুপুরবেলায় মন পুড়ে পুড়ে হয়েছে শক্ত,এতোই সহজ সেই মন গলানো।
না সহজ না এই মন অভিনয়ে আর ভুলবে না।
কত চোখের জল শুকিয়েছি গালের চিবুকে, কত মনখারাপ লুকিয়েছি মিথ্যে হাসি মিথ্যে দেখানো সুখে।
বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২১
selfish husband
যে স্বামী নিজের স্ত্রী সন্তানকে কষ্ট দিয়ে নিজের সুখের কথা ভাবে সেই স্বামীর সাথ না দেওয়াই ভালো। কারণ স্বার্থপর মানুষ কখনো sacrifice এর অর্থ বোঝে না।
বুধবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২১
হারতে নয় হারাতে শেখো
অনেক সময় আমরা এমন কিছু মানুষের পাল্লায় পরে যায় যার কারণে আমাদের জীবনটা তছনছ হয়ে যায় মনে হয় সব শেষের মুখে । কিন্তু একজন মানুষ যতই powerful হোক মনে রাখবে তার মধ্যেও কিছু এমন weak পয়েন্ট আছে যেটা দিয়ে তাকে হারানো যায়। ভয় না পেয়ে ভয়ের মুখোমুখি হতে শেখো। যত সমস্যা থেকে পালাতে চাইবে ততো সমস্যা গুলো আরও বাড়তে যাবে তাই উপায় খোঁজো সমস্যা গুলোকে হ্যান্ডেল করবে কিভাবে।
সোমবার, ১২ এপ্রিল, ২০২১
Every women's dream|bangla Romatic story
আমার একটা সাধ ছিল একটা ছোট্ট সুখের সংসার গড়ার। সেই সংসারে একটা মনের মানুষ থাকবে তার আদর ভালোবাসায় ভরে থাকবে আমার শরীর, মন। আমাদের সন্তানের খিলখিল করা হাসি সারাঘরে মেতে থাকবে। টেবিলে থাকবে সোনামনির রেডি রাখা টিফিন বক্স,পড়ার টেবিলে থাকবে সোনার ব্যাগ, জুতোর রেকে সাজানো থাকবে আমাদের জুতো জোড়া সাথে থাকবে সোনার জুতো। আমাদের ভালোবাসার প্রমান থাকবে এলোমেলো বিছানা, সিঁথির সিঁদুর মাখা তোমার শার্ট, কানের একটা দুল এক কোনায় পরে থাকবে,পিঠে, গলায় love bite এর চিহ্ন। সকাল বেলায় দুই কাপ চা সাথে মুখে থাকবে প্রাণবন্ত হাসি... কানে আসুক হালকা গানের সুর। বারান্দার তারে ঝুলবে তোমার আমার অন্তর্বাস, জুতোর ফিতে, পা-জামা, সোনার জামা প্যান্ট, আর আমার শাড়ি।সংসারের ছোট ছোট জিনিস নিজের হাতে সাজাবো ছোট্ট একটা শীল-নোড়া, উঠানের মাঝখানে তুলসী মন্দির থাকবে সকাল সন্ধ্যে জল দেবো, ধূপবাতির সুগন্ধে সারাবাড়ি মন্দিরের মতো অনুভব হবে, শান্তি লাগবে।মনে হবে এমনি তো চেয়েছিলাম একটা ছোট্ট সুখের ঘর, সংসার।
সবার এমন সুখের ঘর কপালে লেখা থাকে না, কিছুজনের এমন সংসার স্বপ্নে, কল্পনায় জায়গা পায়।
রবিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২১
নিজের জন্য ন্যায়বিচার
সমাজের বেশকিছু ব্যাতিক্রম মস্তিষ্কের
মানুষ এখনো অন্যায় কে মেনে নেওয়ার পরামর্শ দেয়, সহ্য করার পরামর্শ দেয়.... অনেক মানুষের মুখে এমন কথা শোনার পর বুঝলাম তাঁদের এমন কথা বলার কারণটা সবকিছুর মুলে একটাই কারণ টাকা... তাঁদের মতামত যদি কোনো মেয়ে চাকরি করে তাহলে সে কেন সহ্য করবে কেন মেনে নেবে তাঁদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য জোরজাবস্তি থাকার থেকে একলা থাকা ভালো। আর হাউস ওয়াইফ দের জন্য??না তাঁদের জন্য এমন কোনো অপশন নেই কারণ তারা রোজগার করে না নিজের দায়িত্ব, সন্তানের দায়িত্ব নিতে পারবে না তাই তাঁদের স্বাধীন ভাবে বাঁচার শান্তিতে বাঁচার কোনো অধিকার নেই। সংসার করতে গেলে কি মেনে নিতে হয় আর কি মানিয়ে নিতে হয় তা সবার জানাটা দরকার।
যেমন বিয়ের আগে মা বাবার আদরে আবদারে থেকেছো,মাছের কোন পিসটা চাই তা নির্ধিধাই বলেছো, কোনটা পছন্দ খাবারের প্লেটে কোনটা নয় তাও অনায়াসে বলেছো, কেউ কথা শুনিয়ে দিলে রাগ করেছো খাবো না যাও বলেও অভিমান করেছো, পুজোয় ওই ড্রেসটাই চায় বলে বায়নাও ধরেছো, কোথাও যেতে ইচ্ছে নেই সেটাও সজোরে বলেছো, সকাল বেলা খুব দেরি করে উঠলেও খুব বকা খাওনি, সারাদিন ফোন দেখার স্বাধীনতা পেয়েছো, যখন খুশি বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছো, কারো জন্মদিন, বিয়েবাড়ি, পার্টি যাবে বলে একবার নামসাক্ষি বলেই ছুটি পেয়েছো। এসব স্বাধীনতা গুলো যদি শশুরবাড়িতেও চাও তাহলে আমি বলবো এই জায়গাগুলোতে মানিয়ে নাও। কিন্তু যদি অন্যায় হচ্ছে যেটা তোমাকে ঠিক লাগছে না মানসিক অশান্তি দিচ্ছে নিত্যদিন, মানসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছো, মন এবং স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছে,তোমার প্রতি স্বামীর বিন্দুমাত্রও আগ্রহ নেই, খাচ্ছো কি না, ঠিকমতো ঘুমাচ্ছ কি না, শরীর কেমন থাকছে, শারীরিক এবং মানসিক সম্পর্কগুলোও বন্ধের মুখে, কথায় কথায় ঝগড়া বাড়িতে টেকা যাচ্ছে না, কথা বলতে গেলেই ঝগড়া, একসাথে হাঁটতে হাঁটতে ঝগড়া, খেতে খেতে ঝগড়া, কিছু মজার কথা বলতে গিয়েও ঝগড়া.... এমন হওয়ার কারণ কি জানো understanding নেই দুজনের মধ্যে ❌️ trust নেই দুজনের মধ্যে❌️ভালোবাসা নেই, বাঁধন নেই, টান নেই....এগুলো অন্যায় হচ্ছে তোমার সাথে নীরবে তুমি ভাবছো সব ধীরে ধীরে একদিন ঠিক হয়ে যাবে, ভুল বোঝানো হচ্ছে তোমাকে কিচ্ছু ঠিক হবে না তুমি মূল্যহীন হয়ে যাবে ধীরে ধীরে। তোমার অন্যায়টা তোমার সেটা কেউ বুঝবে না বুঝতে চাইবে না কারণ অন্যায়ের সাজাটা তুমি পাচ্ছ তারা নয়। ব্যাস অনেক হয়েছে আর নয় এসব অন্যায় মেনে নেবে না মানিয়ে নেবে না।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)